|
সংবাদ
|
|
নিউইয়র্কে 'তথাকথিত মুক্তধারা'র বইমেলা!
অংশ নেবে না বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি
মুক্তধারার বইমেলার প্রস্তুতি সভা (এ বছর রোকেয়া হায়দার
আহ্বায়ক বলে জানানো হয়েছে)
এনওয়াইনিউজ৫২: নিউইয়র্কে বিশ্বজিৎ সাহার মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত 'বাংলা উৎসব ও বইমেলা'কে বারোয়ারি মেলা মন্তব্য করে তাতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ
জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি। গত বুধবার সমিতির সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সমিতি এ মেলার
কার্যক্রমে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোকে সম্পৃক্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সমিতি এসব তথ্য জানায়।
প্রকাশক সমিতি জানিয়েছে, তাদের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নিউইয়র্কের ব্যক্তিমালিকানাধীন তথাকথিত মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলা উৎসব ও বইমেলায় কেউ ব্যক্তিগতভাবে
অংশগ্রহণ করে প্রতারিত হলে এর দায়দায়িত্ব সমিতি বহন করবে না। কেননা সমিতি বিগত বছরগুলোতে লক্ষ করেছে যে, ওই বইমেলা বারোয়ারি মেলায় পরিণত হয়েছে।
সেখানে বইয়ের গুরুত্ব খুবই সীমিত। এ ছাড়া সেখানে বাংলাদেশি বইয়ের চেয়ে ভারতীয় বইয়ের প্রদর্শনী ও বিক্রি প্রাধান্য পায়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিউ ইয়র্কে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহার বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি উদ্বিগ্ন।
এই ব্যক্তি এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সমিতির কাছে বিভিন্ন অভিযোগ আছে। তিনি নিউইয়র্কে দীর্ঘদিন ধরে একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত 'মুক্তধারা'র
নাম ও লোগো ব্যবহার করে আসছেন অবৈধভাবে। এ বিষয়ে ২০১৩ সালের ২ জুন বিশ্বজিৎ সাহার নিউইয়র্কের ঠিকানায় উকিল নোটিশ পাঠান চিত্তরঞ্জন সাহা
প্রতিষ্ঠিত মুক্তধারার পরিচালক জহরলাল সাহা। একই বছর ৪ জুন বিষয়টি উল্লেখ করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্বজিৎ সাহা তা গ্রাহ্য করেননি।
বরাবরই তিনি 'বাংলা উৎসব ও বইমেলা'য় সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের বিশিষ্টজনদের নাম যুক্ত করে থাকেন। এবং তাদের অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে ভিসা না পাওয়াকে
উল্লেখ করে প্রকারান্তরে স্থানীয় বাঙালীদেরও ধোকা দিয়ে আসছেন।
(সুত্র: কালেরকণ্ঠ)
|
|
|
|