NYnews52.com a e-news paper in Bengali and English with video excerpts.
Logo: NYnews52.com

শিরোনাম











।।আরো সংবাদ।।

সংখ্যা ২

সংখ্যা ৩

সংখ্যা ৪

সংখ্যা ৬

সংখ্যা ১৭

রাজাকারের বিচার চাই

সাকার যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে



৭১-এ ঊনসত্তরপাড়ায়ন ব্রাশফায়ার করে ৭০ জনকে খুন করা হয়। এই গণহত্যার নেতৃত্ব দেন সাকা চৌধুরী

চট্টগ্রামের রাউজান কুণ্ডেশ্বরী হোমসে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতিনিধি দল সমকালতৌফিকুল ইসলাম বাবর/শফিউল আলম, রাউজান থেকে '১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল। রাউজানের গহিরা কুণ্ডেশ্বরী গ্রাম। অন্যান্য দিনের মতো নিজ প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা নূতন চন্দ্র সিংহ। পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে কুণ্ডেশ্বরীতে আসতে দেখে পরিস্থিতি আঁচ করে প্রাণ বাঁচাতে বাড়ির মন্দিরে ঢুকে পড়েন তিনি। হানাদারদের দোসর সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী মন্দির থেকে তাকে খুঁজে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে আসেন। পাকবাহিনী তাকে গুলি করতে ইতস্তত করলে সালাহউদ্দিন কাদের ক্ষুব্ধ হয়ে পাকবাহিনীকে বলেন, বাবার নির্দেশ আছে তাকে হত্যা করতে হবে। এরপরই নূতন চন্দ্রকে গুলি করে পাকবাহিনী। মৃত্যু নিশ্চিত করতে এক পাকসেনার হাত থেকে অস্ত্র নিয়ে পুনরায় নূতন চন্দ্র সিংহের ওপর গুলি চালান সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী।' গতকাল শুক্রবার সকালে রাউজানের কুণ্ডেশ্বরীতে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতার বিরুদ্ধে সালাহউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর অভিযোগ তদন্ত করতে গেলে এভাবেই মর্মস্পর্শী ও নারকীয় এই ঘটনার বর্ণনা দেন নূতন চন্দ্র সিংহের পুত্র প্রফুল্ল রঞ্জন সিনহা। তিনি বলেন, 'বাবাকে মারার আগে একই দিন সকালে আরও দুইবার পাকবাহিনীর সদস্যরা কুণ্ডেশ্বরীতে এসেছিল। তবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাবার মানবসেবা দেখে ফিরে যান তারা। সালাহউদ্দিন কাদের ও তার পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী তাকে বাঁচতে দেননি।' '৭১-এর ১৩ এপ্রিল শুধু চট্টগ্রামের কৃতীপুরুষ নূতন চন্দ্রকে নির্মমভাবে হত্যা করা ছাড়াও রাউজানের জগতমল্লপাড়া ও ঊনসত্তরপাড়ায় একই দিনে দুটি গণহত্যা চালায় পাকবাহিনী। এ গণহত্যায় পাকবাহিনীর নেতৃত্ব দেন বিএনপির বর্তমান স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। জগতমল্লপাড়ায় ৩৪ জনকে এবং ঊনসত্তরপাড়ায় ৭০ জনকে ব্রাশফায়ারে হত্যা করা হয়। গতকাল ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে সেসব গণহত্যার বর্ণনা শুনে স্তম্ভিত হন ট্রাইব্যুনালের সদস্যরা। ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু এসব বর্ণনা শোনার পর সমকালকে বলেন, 'এসব গণহত্যার বর্ণনা ভাষায় প্রকাশ করার নয়। যেভাবে নিরীহ মানুষগুলোকে হত্যা করা হয়েছে তাতে এসব হত্যাকাণ্ডকে নারকীয়, নৃশংস এবং বর্বর বলা হলেও কম বলা হবে।' এদিকে গত রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী তার বিরুদ্ধে আনা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের জানান, যুদ্ধকালীন ঊনসত্তরপাড়ায় যাতে শান্তি বিনষ্ট না হয়, সেজন্য 'শান্তি মিটিং'-এর নামে এলাকার লোকজনকে মহাজন বাড়িতে একত্রিত করেন সাকা চৌধুরী। আনুমানিক বিকেল সাড়ে পাঁচটায় এলাকার লোকজন একত্রিত হলে সেখানে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পাকবাহিনীকে নিয়ে হাজির হন সাকা। তার নির্দেশ পাওয়া মাত্র কালবিলম্ব না করে উপস্থিত লোকজনের ওপর ব্রাশফায়ার করে পাকসেনারা। এতে ঘটনাস্থলেই নির্মমভাবে নিহত হন এলাকার শিশু, বৃদ্ধ ও মহিলাসহ সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরীহ প্রায় ৬৮ জন। ঘটনাস্থল থেকে ফেরার সময় হত্যা করা হয় আরও দু'জনকে। পরে নিহতদের লাশ একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হলে নিহতদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে ওঠে সেই পুকুরের পানি। পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন বধ্যভূমিটি তদন্ত দলের সদস্যদের ঘুরে দেখান এবং সাকা চৌধুরীর নেতৃত্বেই গণহত্যা চালানো হয় বলে উল্লেখ করেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর টিপু এলাকার মানুষের কাছে সাকা চৌধুরীর বিচার চান কি-না জানতে চাইলে উপস্থিত লোকজন তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। বধ্যভূমির পাশে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তদন্ত দল ও এলাকার লোকজন।
এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাউজানের পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের সদস্য সুজিত মহাজন বলেন, '১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল বিকেল পাঁচটায় সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এলাকায় শান্তি মিটিং আহ্বান করার পর এলাকার লোকজন প্রাণভয়ে তার কথা রাখতে বাধ্য হয়। আমরা জানতাম না তিনি লোকজনকে একসঙ্গে হত্যা করতেই এক জায়গায় জড়ো করেছিলেন। ব্রাশফায়ারে এক স্থানে মেরে ফেলা হয়েছে ৬৮ জনকে।' এ গণহত্যায় তার বাবা যোগেশ মহাজন ও বড় ভাই রনজিত মহাজন নিহত হন বলে উল্লেখ করেন। এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিনও নিজেকে সেসব ঘটনার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, 'গণহারে হত্যার পর লোকজনকে এলাকার একটি পুকুরে ফেলার পর রক্তের স্রোতে সেই পুকুরের পানি লাল হয়ে যায়। এখনও সে কথা মনে পড়লে শিউরে উঠি।' ঘটনায় দুই প্রিয় বন্ধুকে হারান বলে তিনি জানান। জগতমল্লপাড়ায়ও অত্যন্ত নির্মমভাবে চালানো হয় গণহত্যা। ঊনসত্তরপাড়ার মতোই ১৩ এপ্রিল দুপুরে শান্তি মিটিং করার নামে এক জায়গায় জড়ো করা হয় এলাকার লোকজনকে। এরপর সাকার উপস্থিতিতে তাদের ওপর পাকসেনারা নির্বিচারে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৩৪ জন। পরে তাদের মাটিচাপা দেওয়া হয়। তাদের স্মরণে নাম সংবলিত এলাকায় নির্মাণ করা হয় একটি স্মৃতিসৌধ। এখানেও দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করে তদন্তকারী দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এলাকার অশীতিপর প্রভা রানী চৌধুরী ও ধনু চৌধুরী বলেন, যুদ্ধকালে হওয়ায় শান্তি মিটিংয়ে উপস্থিত হলে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে_ এ কারণে মিটিংয়ে যান লোকজন। কিন্তু যারা গেছেন তাদের কেউ ফেরত আসতে পারেননি। মিটিংয়ে না যাওয়ায় তারা বেঁচে যান বলে উল্লেখ করেন। এলাকার বাসিন্দা ভূপতি চৌধুরী বলেন, 'মিটিংয়ে যাওয়ার পথে দূর থেকে দেখতে পাই দুটি জিপে করে সালাহউদ্দিন কাদের পাকবাহিনীকে সঙ্গে করে নিয়ে আসছেন। তখন পালিয়ে গিয়ে প্রাণে বেঁচে যাই।

ঊনসত্তরপাড়ায় গণহত্যার শিকার যারা ঊনসত্তরপাড়ায় পাকবাহিনীর ব্রাশফায়ারে নিহত হন এলাকার চন্দ্র কুমার পাল, তারা চরণ পাল, বাবুল মালি, গোপাল ননী, সন্তোষ মালি, অভিমুনা পাল, পাখি বালা পাল, বেলী মাধব, ধীরেন্দ্র পাল, বিজয় পাল, হিমাংশু পাল, জ্যোতিষ পাল, সুপ্রিয় পাল, দুর্গা চরণ পাল, শক্তিবালা, নিকুঞ্জ বিহারী, বলরাম পাল, ফনীন্দ্র পাল, শ্রীরাম, তারাপদ পাল, পুলিন বিহারী, নিকুঞ্জ পাল, পুলিন পাল, হেমন্ত কুমার, স্বপন, ধীরেন্দ্র চৌধুরী, নির্মল, মধুসূদন, শান্তিপদ, নিরঞ্জন, বাবুল, কৃষ্ণা রনজিত মহাজন, যোগেশ মহাজন, ক্ষেত্র মোহন মহাজন, উমেশ মহাজন, চন্দ্র রুদ্র মহাজন, রনজিত কুমার, মনীন্দ্র চৌধুরী, জ্যোৎস্না বালা, প্রীতিকণা, মনিকুন্তলা, কৃষ্ণ রানী, শ্রীপতি দে, মিলন দে, উপেন্দ্র লাল, মনোরঞ্জন ঘোষ, প্রতীম দাশ, জুনু ঘোষ, বাদল চৌধুরী ছাড়াও নাম না জানা আরও ১৯ জন।

জগতমল্লপাড়ায় গণহত্যার শিকার যারা জগতমল্লপাড়ায় গণহত্যার শিকার হন এলাকার তেজেন্দ্র লাল নন্দী, সমীর কান্তি চৌধুরী, হেমাংশু বিমল, সীতাংশু চৌধুরী, সুরেন্দ্র চৌধুরী, চারুবালা, অনন্তবালা, রাজলক্ষ্মী, কামিনী রুদ্র, যোতিন লাল, হিরেন্দ্র লাল, প্রভাত সরকার, অজিত চৌধুরী, পরিতোষ চৌধুরী, ভবতোষ চৌধুরী, গোপাল চৌধুরী, রানী বালা, মঞ্জু চৌধুরী, জিনু চৌধুরী, রুনু চৌধুরী, দেবু চৌধুরী, স্বপন, ফনীভূষণ, মধুসূদন, কুসুমবালা, বিপিন চৌধুরী, প্রভা রানী, বিজয় কৃষ্ণ, বিধুভূষণ, হিরেন্দ্র চৌধুরীসহ ৩৪ জন। এদিকে কুণ্ডেশ্বরী এলাকার লোকজনের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, এলাকার মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন নূতন চন্দ্র সিংহ। বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ও তার বড় ভাই মরহুম আবদুল্লাহ আল হারুন পরিস্থিতি ভালো না হওয়ায় নূতন চন্দ্রকে এলাকা ত্যাগের পরামর্শ দেন। তিনি পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরেও কাপুরুষের মতো এলাকার মানুষকে দুঃসময়ে ছেড়ে যেতে চাননি। তাকে একই পরামর্শ দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি আরএ চৌধুরী এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানসহ গণমান্য ব্যক্তিরা। নূতন চন্দ্র সিংহ নিহত হওয়ার দু'দিন আগে পর্যন্ত তারা তার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তাদের সঙ্গে চলে যান তার দুই ছেলেসহ পরিবারের সদস্যরা। ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপুর নেতৃত্বে তদন্ত দল গতকাল সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে রাউজানের উদ্দেশে রওনা হয়। প্রথমেই তদন্ত দল যায় কুণ্ডেশ্বরীতে। সেখানে তদন্ত শেষে যায় জগতমল্লপাড়ায়। এরপর ঊনসত্তরপাড়া পরিদর্শন শেষে দিনের কাজ শেষ করে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিজনুর রহমান ছাড়াও রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত দলের সঙ্গে ছিলেন।

তদন্ত দলের ব্রিফিং গতকাল পর্যায়ক্রমে রাউজানের কুণ্ডেশ্বরী, জগতমল্লপাড়া ও ঊনসত্তরপাড়া পরিদর্শন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ অফিস চত্বরে দিনের তদন্ত কাজ শেষে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং করে ট্রাইব্যুনালের প্রতিনিধি দল। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর জিয়াদ আল-মালুম সাংবাদিকদের বলেন, 'কুণ্ডেশ্বরীতে নূতন চন্দ্র সিংহ হত্যা ছাড়াও জগতমল্লপাড়া ও ঊনসত্তরপাড়ায় গণহত্যায় জড়িতদের ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।' সমকালের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'রাউজানে গণহত্যা ও নূতন চন্দ্র সিংহ হত্যার ঘটনার সঙ্গে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে। আরও তদন্ত শেষে প্রতিবেদন পেশ করা হবে।' আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপুর নেতৃত্বে এ তদন্ত দলে রয়েছেন_ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর (প্রশাসন) জিয়াদ আল-মালুম, প্রসিকিউটর (অর্থ) মোখলেসুর রহমান বাদল, অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা এডিশনাল এসপি মোঃ মতিউর রহমান, এএসপি নুরুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক আবদুর রাজ্জাক খান ও এসএম ইদ্রিস আলী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সদস্য ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ম. হামিদ, মুক্তিযুদ্ধকালীন গেরিলা কমান্ডার কামাল উদ্দিন চৌধুরী, রাউজানের ইউএনও অঞ্জন চন্দ্র পাল, ওসি নিখিল চন্দ্র মণ্ডল। তদন্তকালে র‌্যাব ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ছিল। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত দল যখন গতকাল সকালে রাউজানের গহিরা কুণ্ডেশ্বরী ভবনে সাকা চৌধুরী ও গিকা চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধের তদন্ত করছিল তখন সাকা চৌধুরীর বিশ্বস্ত ক্যাডার একরামুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সাকা চৌধুরী ও গিকা চৌধুরীর দলের নেতা যুদ্ধকালীন মুসলিম লীগ সুলতানপুর বেরুলিয়ার আহম্মদ হোসেন বাচ্চু, ছিটিয়া পাড়ার বজল আহাম্মদ, কদলপুরের বাইল্যা, গিকা চৌধুরীর আদর্শের অনুসারী হেজা হাসেম, উত্তর গুজরার নুরুল ইসলাম বাবুল মেম্বার, রাঙ্গুনিয়া কৃষি অফিসের কর্মচারী রাউজানের ছিটিয়াপাড়ার আইয়ুব দুলালের নেতৃত্বে শতাধিক সাকা ও গিকা চৌধুরীর অনুসারী বিএনপির নেতা-কর্মী কুণ্ডেশ্বরী ভবনের প্রধান ফটকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তারা সাংবাদিকদের জানান, '৭১ সালে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে সাকা চৌধুরী ও গিকা চৌধুরী জড়িত ছিল না। পাক বাহিনীর সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে। তদন্তকালে রাউজানে সাকা চৌধুরী ও গিকা চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধ তদন্তকালে রাউজানের কুণ্ডেশ্বরী ভবন ও জগৎমল্লপাড়া বধ্যভূমি এলাকায় রাউজানের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের কোনো দায়িত্বশীল নেতা এবং দায়িত্বশীল কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়নি। ঊনসত্তরপাড়া বধ্যভূমি পরিদর্শনকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগ-যুবলীগ নেতাদের উপস্থিতি দেখা যায়। (সূত্র; সমকাল)


























Contact Us